সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যাটেরিয়ানস্-এর পরিচিতি

( Aspects of Civil Engineering Materials )✍️


নির্মাণসামগ্রীঃ

প্রকৌশল নির্মাণে ব্যবহৃত সামগ্রীকে প্রকৌশল সামগ্রী  বা নির্মাণসামগ্রী  বলা হয়।


👉 সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যাটেরিয়ালস্-এর সংজ্ঞা  : 

ইমারত, ব্রিজ, বিমানবন্দর, রাস্তাঘাট, পোতাশ্রয় ইত্যাদি পূর্তকর্ম অর্থাৎ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর আওতাভুক্ত নির্মাণের  সামগ্রীকে পূর্তকর্ম নির্মাণের সামগ্রী বা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যাটেরিয়ালস (Civil engineering, materials) বলা হয়। 

নির্মাণসামগ্রীর আধার বা ভাণ্ডার ঃ

:
 বিভিন্ন প্রকৌশল নির্মাণে  ভিন্ন ভিন্ন ধরনের বিপুল পরিমাণ নির্মাণসামগ্রীর চাহিদা পূরণে লক্ষ্যে ভূপৃষ্ঠের সুবিশাল এলাকার বিভিন্ন উপাদান সরাসরি বা কৃত্রিম উপায়ে প্রকৌশল নির্মাণের উপযোগী সামগ্রীতে রূপান্তর করে ব্যবহার করা হয়। তাই  ভূত্বক কে নির্মাণসামগ্রীর আধার বা ভাণ্ডার  বলা হয়।

 নির্মাণসামগ্রীর বৈশিষ্ট্য ও ধর্মাবলি ঃ


সকল প্রযুক্তির প্রকৌশলীগণ তাদের নির্মিত কাঠামোর স্থায়িত্ব, নিরাপত্তা, সাশ্রয়, সৌন্দর্য ইত্যাদি বিষয়ে সচেতন থাকেন এবং নির্মাণসামগ্রীর বৈশিষ্ট্য ও ধর্মাবলি সম্পর্কে নির্মানের পুর্বে জেনে নেন। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যাটেরিয়ালস এর বৈশিষ্ট্য ও ধর্মাবলি সম্পর্কে সংক্ষেপে নিম্নে উল্লেখ করা হলো - 

 👉ভৌত ধর্মাবলি ঃ

 আকার, আকৃতি, ঘনত্ব, সদ্রিতা, বুনট (দৃঢ়াবদ্ধ, স্বাভাবিক, শিথিল), বর্ণ, গন্ধ, সৌন্দর্য ইত্যাদি।


👉 যান্ত্রিক ধর্মাবলি ঃ

 শক্তি, স্থিতিস্থাপকতা, নমনীয়তা, অনমনীয়তা, প্রাচুর্যতা, ভঙ্গুরতা, স্থিতিস্থাপন ক্ষমতা, ঘাতসহতা কাঠিন্য, মন্থর বিকৃতি ইত্যাদি ।

👉 রাসায়নিক ধর্মাবলিঃ 

ক্ষয়রোধিতা, অম্লত্ব, ক্ষারত্ব, রাসায়নিক গঠন ইত্যাদি।


👉  বৈদ্যুতিক ধর্মাবলি ঃ

তড়িৎ সঞ্চারণ শক্তি, তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা, তড়িৎ প্রতিরোধ ক্ষমতা ইত্যাদি ।

👉  তাপীয় ধর্মাবলি ঃ

 আপেক্ষিক তাপ, ভাপীয় প্রসারণ, তাপ পরিবাহিতা ইত্যাদি । (চ) চুম্বকীয় ধর্মাবলি ও চুম্বকীয় ভেগ্যতা, চুম্বকীয় আবেশ, হিস্টিরিসিস ইত্যাদি।




















Post a Comment

Previous Post Next Post